ঢাকা টুডে ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী ‘বাংকার ব্লাস্টার’ বোমা ও অবিস্ফোরিত গোলাবারুদকে নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে ইরান। সাম্প্রতিক সংঘাতের পর উদ্ধার হওয়া এসব উন্নত পশ্চিমা যুদ্ধাস্ত্র বিশ্লেষণ করে ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’ (Reverse Engineering)-এর মাধ্যমে নিজস্ব প্রযুক্তি তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে তেহরান। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান দীর্ঘদিন ধরেই বিদেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি অনুকরণ করে স্বনির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারদর্শী।
বাংকার ব্লাস্টার মূলত শক্তিশালী কংক্রিট বা ভূগর্ভস্থ লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের জন্য তৈরি। এর ধাতব সংমিশ্রণ, গাইডেন্স সিস্টেম এবং উচ্চ চাপ সহনশীল কাঠামো অত্যন্ত জটিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও এই উচ্চ প্রযুক্তির পূর্ণাঙ্গ অনুকরণ করা কঠিন, তবে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের বিস্ফোরক উপাদান ও ডিজাইন বিশ্লেষণ করে ইরান তাদের স্থানীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি ঘটাতে পারে। এটি মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্যে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং ও বর্তমান চ্যালেঞ্জ
- প্রযুক্তিগত লক্ষ্য: বাংকার ব্লাস্টারের ধাতব অ্যালয়, জিপিএস গাইডেন্স এবং বিস্ফোরক কেমিক্যাল বিশ্লেষণ।
- অতীত অভিজ্ঞতা: এর আগে মার্কিন ড্রোন ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সফলভাবে অনুকরণ করার দাবি করেছে ইরান।
- জটিলতা: আধুনিক অস্ত্রের এনক্রিপ্টেড সফটওয়্যার এবং এনক্রিপ্টেড সিস্টেম আলাদা করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও কঠিন।
- কৌশলগত প্রভাব: এই প্রযুক্তি হস্তগত হলে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও সামরিক প্রভাব কয়েক গুণ বেড়ে যেতে পারে।





Total views : 7300