রবিবার, ৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ট্রিবিউন ডেস্ক | ১৭ মে ২০২৬

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ রাজ্যে বেশি সন্তান জন্মদানের জন্য পরিবারগুলোকে বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। নতুন এই নীতি অনুযায়ী, কোনো পরিবারে তৃতীয় সন্তান জন্ম নিলে তাকে ৩০ হাজার রুপি এবং চতুর্থ সন্তান জন্ম নিলে ৪০ হাজার রুপি পুরস্কার বা প্রণোদনা দেবে রাজ্য সরকার। আজ রবিবার (১৭ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘এনডিটিভি’-এর বরাত দিয়ে এই খবর প্রকাশ করেছে ঢাকা ট্রিবিউন।

মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু নিজের এই অবস্থানের পরিবর্তনের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “আমি এই বিষয়টি নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে বহুবার ভেবেছি। একসময় অতীতে আমি নিজেই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবার পরিকল্পনার পক্ষে কঠোরভাবে কাজ করেছিলাম। কিন্তু বর্তমান সময়ে পরিস্থিতি বদলে গেছে। এখন এমন একটা সময় এসেছে যখন সন্তানরাই আমাদের প্রকৃত সম্পদ। তাদের ভবিষ্যৎ এবং দেশের স্বার্থে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

তবে মুখ্যমন্ত্রীর এই অভূতপূর্ব ও বিতর্কিত সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই তীব্র সমালোচনা ও বিতর্কের ঝড় উঠেছে। বিরোধী দলগুলোর সরাসরি অভিযোগ, ভারতের লোকসভায় (সংসদের নিম্নকক্ষ) আসনসংখ্যা বাড়ানোর যে কেন্দ্রীয় উদ্যোগ বা ‘ডিলিমিটেশন’ (আসন পুনর্নির্ধারণ) প্রক্রিয়া চলছে, তার সাথেই এই নীতির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার উত্তর ভারতের তুলনায় কম হওয়ায়, নতুন আসন পুনর্নির্ধারণে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোর লোকসভা আসন কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মূলত সেই রাজনৈতিক সমীকরণ মাথায় রেখেই অন্ধ্র প্রদেশের জনসংখ্যা বাড়ানোর এই কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। পাশাপাশি, জাতীয় পর্যায়ের কেন্দ্রীয় পরিবার পরিকল্পনা নীতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও একটি রাজ্যের এমন ভিন্নমুখী নীতি গ্রহণ করা নিয়ে বিরোধীরা নৈতিক ও আইনি প্রশ্ন তুলেছেন।

Share.
Leave A Reply

সম্পাদক ও প্রকাশক

নিউজ পাঠানোর ঠিকানা: news@agranisangbad.net

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয় : নিউ মার্কেট (কাশেমিয়া মাদ্রাসা রোড), রাজশাহী, বাংলাদেশ - ৬১০০। মোবাইল:- ০১৭১৪-৪৬০৭৭৬।

ঢাকা কার্যালয় : বাসা নং- ১৬ (লিফটের ৩), রোড নং- ১২, ব্লক- এফ, নিকেতন, গুলশান।

ইউজার কাউন্ট

003811
Total views : 7312
© ২০২৬ অগ্রণী সংবাদ | কারিগরি সহযোগিতায় সাহারিয়ার কবির.